Advertisement

নির্বাচনের ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে, তবে পথে কিছুটা থামতে হবে: ড. ইউনূস


অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ ও নির্বাচনের সময়সীমা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, "নির্বাচনের ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে, তবে পথে কিছুটা থামতে হবে। এটি কোন পথে এগোবে, সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এজন্য আমাদের সংস্কার কমিশনের সহায়তা প্রয়োজন।"

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম *দ্য হিন্দু*কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ড. ইউনূস।  


ড. ইউনূস বলেন, "যখন আমাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, তখন স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছিল যে— আমরা শুধু তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবো না, বরং যে সরকার গঠন হবে, তা নির্বাচন আয়োজন করবে এবং নতুন সরকারের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করবে।"  


তিনি আরও বলেন, "আমাদের বলা হয়েছিল যে, আমাদের প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে বাংলাদেশের সংস্কার। আমরা বেশি দিন থাকতে চাইনি, তাই এই ফর্মুলেশন নিয়ে এসেছি। নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রথম দিন থেকেই শুরু হয়েছে, তবে সংস্কারের অন্যান্য প্রক্রিয়া সমান্তরালভাবে চলবে। এখন, প্রথমত, আমরা নির্বাচন কমিশন তৈরি করছি, যা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া এবং আমরা আগামী সপ্তাহের মধ্যে এটি ঘোষণা করব। প্রধান নির্বাচন কমিশনার নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য একটি স্বাধীন সংস্থা গঠন করবেন। কিন্তু অন্যান্য বেশ কিছু সংস্কার না হলে তারা নির্বাচন পরিচালনা করতে পারবেন না— আমাদের দ্ব chambers বিশিষ্ট সংসদ থাকবে কি না, বাংলাদেশে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব থাকবে কিনা, মেয়াদের সীমা কী হবে ইত্যাদি বিষয়ে সাংবিধানিক সংস্কার কমিশনকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আমি বলব— নির্বাচনের ট্রেন স্টেশন ছেড়ে গেছে, তবে পথে কিছুটা থামতে হবে, কারণ এটি কোন দিকে যাবে সেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে এবং সেজন্য আমাদের সংস্কার কমিশনের কাছে যেতে হবে।"  


কয়েক বছর লাগতে পারে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "আমার কোন ধারণা নেই। জনগণ একটি নির্বাচিত সরকার দেখতে চায়, তাই আমরা যত দ্রুত সম্ভব ঐকমত্য তৈরি করতে কাজ করব।"

Post a Comment

0 Comments