সূত্র জানায়, লাশগুলোর মধ্যে ছয়টি পুরুষ এবং একটি নারীর। বিপ্লবের শেষের দিকে, আগস্টের ১ থেকে ৪ তারিখের মধ্যে এই লাশগুলো হাসপাতাল মর্গে আনা হয়।
হাসপাতাল সূত্র অনুযায়ী, লাশগুলো বিকৃত অবস্থায় রয়েছে। পোড়া ও মুখমণ্ডল থেতলানো হওয়ায় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এখন পর্যন্ত ৪৮টি পরিবারের সদস্যরা লাশগুলো শনাক্ত করতে এসেছেন। এর মধ্যে ২৫ জনের ডিএনএ সংগ্রহ করা হয়, কিন্তু কারোর সাথে মিল পাওয়া যায়নি।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. মোখলেসুর রহমান বলেন, ২৫ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হলেও মিল না পাওয়ার কারণে লাশগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, ফলে সেগুলো মর্গে পড়ে আছে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গের সহকারী রামু দাস জানান, দু-এক দিন পর পরই লোকজন আসছেন লাশ শনাক্তের জন্য, কিন্তু কেউই শনাক্ত করতে পারছেন না। ফলে লাশগুলো হস্তান্তর করা সম্ভব হচ্ছে না। আদালতের অনুমতি না পাওয়ায় লাশগুলো হস্তান্তর করা যাচ্ছে না।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, লাশগুলো দাফনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে আদালতের কাছে। অনুমতি পেলেই লাশগুলো কোনো সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে দাফনের জন্য।



0 Comments