Advertisement

রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, আওয়ামী লীগ স্বাধীনতাবিরোধী ও জনদুশমন।

 

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান মন্তব্য করেছেন, আওয়ামী লীগ স্বাধীনতাবিরোধী এবং জনদুশমন।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে মতিঝিল থানা জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, "যে দল প্রতিবেশী রাষ্ট্রকে আক্রমণের জন্য অনুরোধ করে, তারা কখনও স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করতে পারে না। তারা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরোধী।"

মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান আরও বলেন, "যে দলের নেতাকর্মীরা নিরাপদ নয়, সেই দলের দেশ ও জাতির নিরাপত্তা থাকতে পারে না। আওয়ামী লীগ বাংলাদেশকে নিজেদের সম্পত্তি মনে করে এবং জনগণকে তাদের প্রজা মনে করেছিল।"

তিনি বলেন, "কেউ কেউ বলছেন, সবার রাজনীতি করার অধিকার আছে। কিন্তু যারা মানুষের রক্ত ও জীবন নিয়ে খেলা করেছে, তাদের রাজনীতি করার অধিকার থাকতে পারে না। প্রথমে গণহত্যার বিচার হতে হবে, তারপর জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে কাদের রাজনীতি করার অধিকার আছে এবং কাদের নেই।"

তিনি অন্তবর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, "প্রশাসনের ভেতর-বাইরে, রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ায় ফ্যাসিবাদের দোসরদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। অন্যথায় বাংলাদেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিপন্ন হবে।"

মতিঝিল উত্তর থানা আমির এস. এম শামসুল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মী সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ।

অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন বলেন, "ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তবে ভারতীয় জনগণ বাংলাদেশের বিপক্ষে নয়।"

ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, "শেখ হাসিনা দেশে আসতে চাচ্ছেন, কিন্তু জনগণ তাকে গণহত্যার বিচার করবে।"

সভার শেষে মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, "ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।"

Post a Comment

0 Comments