"ভারতের গোয়েন্দাদের ল্যাবরেটরিতে শেখ হাসিনা এবং জি এম কাদেরদের জন্ম। হাসিনার দোসর জি এম কাদের এখনো কীভাবে এত বড় কথা বলার সাহস পায়?" – সরকারের কাছে এমন প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
গুম হওয়া সবুজবাগ থানা ছাত্রদল নেতা সুজন ও ফরহাদকে ফিরে পাওয়ার দাবিতে শনিবার (৭ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকার দক্ষিণ বাসাবো, ওহাব কলোনি কাজী অফিস সংলগ্ন রাস্তায় এক বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
রিজভী বলেন, "আজকে হাসিনার দোসর জি এম কাদের বলেছেন, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি মিলে তাদের পক্ষে জনসমর্থন ৫০ শতাংশ নাকি, এই কথা বলার সাহস পায় কীভাবে জি এম কাদেররা? শেখ হাসিনার রক্ত ঝড়ানো যে দুঃশাসন, তার মধ্যে কত মায়ের বুক খালি হয়েছে, কত বোনের চোখে অশ্রু ঝড়েছে, কত বাবা সন্তানের শোকে পাগল হয়ে গেছে, তার কোনো শেষ নেই। এই দুঃশাসনকে যারা বৈধতা দিয়েছে, তারা হলেন স্বৈরাচার এরশাদ, তার ভাই কাদের, এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদ। আজ তারা গলা উঁচিয়ে কথা বলছে, কীভাবে?"
তিনি আরও বলেন, "আমরা সবাই জানি, ওই ভারতের গোয়েন্দা ল্যাবরেটরিতে শেখ হাসিনার জন্ম, সেখানে জি এম কাদেরদের জন্ম, রওশন এরশাদের জন্ম—এরা তো এ কথা বলবেই। এখন ঘাঁটি মেরে থাকলেও, তারা যেকোনো মুহূর্তে সুযোগ পেলে ছোবল দিবে।"
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উদ্দেশ্য করে রিজভী বলেন, "আজকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে গণতন্ত্রকামী মানুষরা সমর্থন দিয়েছে, যারা শেখ হাসিনার গুলিতে তাদের সন্তান হারিয়েছে। আপনাদের কাজ কি শুধুমাত্র গদিতে বসে থাকা? এসি রুমে বসে থাকা? এই চার মাসে কী করেছেন, সেটাও তো দেখাতে পারবেন না। আজকেও সয়াবিন তেল কেন ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা কেজি হবে? এজন্যই কি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে জনগণ সমর্থন দিয়েছে? এখনো তো বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে আওয়ামী লীগের লোকেরা।"
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক রফিকুল আলম মজনু, বিএনপি নির্বাহী কমিটির সদস্য হাবিবুর রশিদ হাবিব প্রমুখ।



0 Comments