বাঁ-হাতি ব্যাটার ট্রাভিস হেডের সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় পিছিয়ে পড়েছে ভারত। প্রথম ইনিংসে হেডের ১৪০ রানের সুবাদে অস্ট্রেলিয়া ভারতের ১৮০ রানের সংগ্রহকে পেছনে ফেলে ৩৩৭ রান তোলে। এর মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ১৫৭ রানের লিড নেয়।
শনিবার (৭ ডিসেম্বর) দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ভারত ৫ উইকেটে ১২৮ রান করে। ২৯ রানে পিছিয়ে থেকে তারা পাঁচ উইকেট হাতে রেখে খেলছে।
এর আগে, এডিলেডে দিন-রাতের ম্যাচের প্রথম দিনে ভারতের ১৮০ রানের জবাবে অস্ট্রেলিয়া এক উইকেটে ৮৬ রান সংগ্রহ করে। তখন ৯৪ রানে পিছিয়ে ছিল তারা, এবং নাথান ম্যাকসুয়েনসি ৩৮ রান ও মার্নাস লাবুশেন ২০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
দ্বিতীয় দিনের শুরুতে ভারতকে জোড়া উইকেট উপহার দেন জসপ্রিত বুমরাহ। তিনি ম্যাকসুয়েনসিকে ৩৯ রানে এবং স্মিথকে ২ রানে আউট করেন। পরে, ২১তম হাফ-সেঞ্চুরি তুলে নিতিশ কুমার রেড্ডির বলে আউট হন লাবুশেন, ৬৪ রান করেন তিনি, নয়টি চারে।
মিডল অর্ডারে মিচেল মার্শ ৯ রান করে ভারতের স্পিনার রবীচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হন। ষষ্ঠ উইকেটে হেড ও অ্যালেক্স ক্যারি ৭৪ রান যোগ করেন। ক্যারি ব্যক্তিগত ১৫ রানে আউট হলে, হেড ১১১ বল খেলে ১৪০ রানে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, যা দিন-রাতের টেস্টে তার দ্রুততম সেঞ্চুরি। ২০২২ সালে হোবার্টে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি এই রেকর্ড করেছিলেন।
টেস্টে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তিনটি সেঞ্চুরি পাওয়ার পর ইনিংস বড় করার চেষ্টা করেন হেড, কিন্তু ভারতের পেসার মোহাম্মদ সিরাজের বলে তিনি আউট হয়ে যান। ১৪১ বল খেলে ১৭টি চার এবং ৪টি ছক্কায় ১৪০ রান করেন হেড। তার বিদায়ের পর অস্ট্রেলিয়া ৩১০ রানে ৭ উইকেট হারায়, এবং বাকি তিন উইকেট মিলে ২৭ রান যোগ করতে পারে। ভারতের বুমরাহ ও সিরাজ চারটি করে উইকেট নেন।
১৫৭ রানে পিছিয়ে থেকে ভারতের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু হয় এবং প্রথম ইনিংসের মতো এবারও ব্যাটিংয়ে সুবিধা পায়নি তারা। অস্ট্রেলিয়ার তিন পেসারের তোপে ১০৫ রানে ৫ উইকেট হারায় ভারত। শুভমান গিল ২৮, যশ্বসী জয়সওয়াল ২৪, বিরাট কোহলি ১১, লোকেশ রাহুল ৭ এবং অধিনায়ক রোহিত শর্মা ৬ রানে আউট হন।
ষষ্ঠ উইকেটে রেড্ডিকে নিয়ে ২৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দিনের খেলা শেষ করেছেন ঋষভ পান্ত। রেড্ডি ১৫ রান এবং পান্ত ২৮ রানে অপরাজিত আছেন।
অস্ট্রেলিয়ার পেসার প্যাট কামিন্স ও স্কট বোল্যান্ড দু’টি করে উইকেট নেন এবং মিচেল স্টার্ক একটি উইকেট লাভ করেন।
সূত্র: বাসস



0 Comments